নীলপুজোর সঠিক সময় ও পূজার পদ্ধতি জেনে নিন - ৩০শে চৈত্র , রবিবার

 নীল পূজা ও নীলের উপবাস । শ্রী শ্রীদেবীর নীলযাত্রা । 

মাহেন্দ্রযোগ - দিবা ঘ ৫।৫৩ মধ্যে ও ১২।৫১ গতে ১।৪৪ মধ্যে এবং রাত্রি ঘ ৬।৪৯ গতে ৭।৩৩ মধ্যে ও ১১ । ৫৫ গতে ২। ৪৯ মধ্যে ।  

অমৃতযোগ - দিবা ঘ ৫।৫৩ গতে ৯। ২২ মধ্যে এবং রাত্রি ঘ ৭।৩৩ গতে ৯। ০ মধ্যে 


নীল পুজোর সময়ঃ প্রতিপদ পড়বে রবিবার ভোর ৫টা ৫২ মিনিটে। পঞ্জিকা অনুসারে নীলকণ্ঠ শিবের পুজো করুন সকাল ৯টা ২২ মিনিটের মধ্যে।


নীল পুজোর উপকরণ

নীল ব্রত পালন করতে সারাদিন উপবাস রেখে সন্ধেবেলা মহাদেবের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে তারপর জল খেয়ে নীল পুজোর উপবাস ভঙ্গ করা হয়। মহাদেবের আরাধনায় খুব একটা বেশি উপকরণের প্রয়োজন পড়ে না। বলা হয়ে থাকে মহাদেব কেবল একটি বেলপাতা পেলেই তুষ্ট হন। তবে তাঁর পুজোয় কয়েকটি জিনিস ব্যবহার করলে প্রসন্ন হন শিব শংকর। নীলের পুজোয় অবশ্যই পঞ্চামৃত নিবেদন করতে হবে। এই পঞ্চামৃত হল দুধ, দই, ঘি, মধু ও চিনি। এর সঙ্গে একটু কালো তিল ও সিদ্ধি পাতা মিশিয়ে দিতে পারলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া গঙ্গাজল, আকন্দ ফুল, ধুতরো, নীল অপরাজিতা ও কাঁচা আম দিয়ে এ দিন মহাদেবের পুজো করুন।


নীল পুজোর পদ্ধতি

আপনি যদি নিজের বাড়িতেই নীল ষষ্ঠীর পুজো করেন তাহলে এই ভাবে পুজো সারতে হবে। মহাদেবের পুজোয় বেশি উপকরণের প্রয়োজন না পড়লেও মনের ভক্তি ও সম্পূর্ণ আত্মনিবেদন একান্ত প্রয়োজন। কাল সারাদিন উপবাস করে সন্ধেয় শিবলিঙ্গে জল ঢালুন। প্রথমে পঞ্চামৃত দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করতে হবে। তারপর গঙ্গাজল, ডাবের জল বা কাঁচা দুধ দিয়ে শিবলিঙ্গকে স্নান করাতে হবে। এরপর অবশ্যই বেলপাতা নিবেদন করুন। বেলপাতায় তিনটি পাতা একসঙ্গে থাকতে হবে। সাদা চন্দন, ফুল ও কাঁচা আম নীলের পুজোয় নিবেদন করা জরুরি। সবশেষে সন্তানের মঙ্গল কামনা করে একটি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। পুজোর পর প্রথমে প্রসাদ খেয়ে উপবাস ভাঙুন। তারপর রাতে সাবু, ফল, মিষ্টি ও ময়দার তৈরি নিরামিষ খাবার খেতে পারেন।