গ্রহণের সঠিক সময় ও রাখী পরানোর শুভ মুহূর্ত জেনে নিন

    

আজ আংশিক ( খন্ড ) গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ 

ভারতে বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে কি গ্রহণ দেখা যাবে?

না , ভারতবর্ষে এই গ্রহন দেখা যাবে না । পশ্চিমবঙ্গে , বিশেষত কোলকাতায় এবং অন্যান্য জেলায় এই গ্রহন দৃশ্য নয় । 
      

আংশিক (খন্ড) গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (ভারতবর্ষে অদৃশ্য)। 

১০ই ভাদ্র, ভাঃ ৬ই ভাদ্র , ইং ২৮শে আগস্ট , শুক্রবার , ২০২৬ খ্রীঃ।


পৃথিবীতে গ্রহণ আরম্ভ প্রভৃতি 

(ভারতীয় প্রমাণ সময়ানুযায়ী)

গ্রহণ স্পর্শ (আরম্ভ)  দিবা ঘ ৮।০৪ মিঃ।

গ্রহণ মধ্য-  দিবা ঘ ৯।৪৩ মিঃ।

গ্রহণ মোক্ষ (সমাপ্তি) -  দিবা ঘ  ১১।২২ মিঃ।

গ্রহণ স্থিতি-    ৩ ঘঃ ১৮মিঃ।

উপচ্ছায়া স্পর্শ ( প্রবেশ ) - দিবা ঘ ৬।৫২ মিঃ।

উপচ্ছায়া মোক্ষ ( ত্যাগ )- দিবা ঘ ১২।৩৩ মিঃ।

গ্রাসমান- ০.৯৩৫।


অদৃশ্য গ্রহণে পাক পাত্র পরিত্যাগের বিধি নিষেধ নেই 


পৃথিবীর কোথায় গ্রহণ দেখা যাবে ? 

গ্রহণ দৃশ্য- এই গ্রহণ আন্টার্কটিকা, আফ্রিকা, ইউরোেপ, এশিয়া, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে দৃশ্য। গ্রহণের স্পর্শ (আরম্ভ), (চন্দ্রান্তের সময়ে)-ইউক্রেন, তুর্কি, সৌদিআরব, ইয়েমেন, মাদাগাস্কার, রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে, ভারত মহাসাগর ও আফ্রিকার পূর্ব্বাঞ্চলে দৃশ্য হইবে। গ্রহণের মোক্ষ (সমাপ্তি) (চন্দ্রোদয়ের সময়ে) - আলাস্কার বেশ কিছু অঞ্চলে, নিউজিল্যান্ড এবং প্রশান্ত মহাসাগরে দৃশ্য হইবে।

উপচ্ছায়া গ্রহণ-গ্রহণ আরম্ভ হইবার কিছু পূর্ব্বে ও গ্রহণ মোক্ষ (সমাপ্তি) হইবার কিছু পরে চন্দ্র পৃথিবীর উপচ্ছায়ায় প্রবিষ্ট হয়, ইহাকে উপচ্ছায়া গ্রহণ বলে। ইহাতে চন্দ্রের কিঞ্চিৎ কান্তি মালিন্য পড়ে মাত্র, ইহা গ্রহণ বলিয়া গণ্য হইবে না। ইহাতে কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের প্রয়োজন নেই। ।

চন্দ্রগ্রহণের সময় কী কী করবেন না? 

প্রথমত, চন্দ্রগ্রহণের সময় শারীরিক মিলন না করাই ভালো। বলা হয়, এই সময় গর্ভবতী মহিলাদের বাইরে বের না হওয়া উচিত । গ্রহণের সময় পরিবেশের কিছু ক্ষতি হয়। আর এর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে গর্ভস্থ বাচ্চার ওপর। এছাড়াও, গ্রহণের সময় খাবার না খাওয়াই ভালো। এ সময় পৃথিবীতে যে রশ্মি প্রবেশ করে, তার থেকে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই গ্রহণের সময় রান্না করা ও খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। এবং চেষ্টা করুন সব খাবার ঢেকে রাখতে।  


রাখী পূর্ণিমা ও রাখী পরানোর শুভ মুহূর্ত

শুভ মুহূর্ত (রাখি বাঁধার সময়)
  • সকাল ৫:৫৭ মিনিট থেকে সকাল ৯:৪৮ মিনিট পর্যন্ত
  • এই সময়কালটি রাখি পরানোর জন্য অত্যন্ত শুভ ও শ্রেষ্ঠ। এর স্থায়িত্ব প্রায় ৩ ঘণ্টা ৫১ মিনিট। 

রাখি বাঁধার সময় প্রচলিত রক্ষা মন্ত্রটি হলো—

ॐ येन बद्धो बली राजा दानवेन्द्रो महाबलः।
तेन त्वामनुबध्नामि रक्षे मा चल मा चल॥

বাংলা উচ্চারণ:
        “ওঁ যেন বদ্ধো বলী রাজা দানবেন্দ্রো মহাবলঃ।
           তেন ত্বামনুবধ্নামি রক্ষে মা চল মা চল॥”

অর্থ:
যে রক্ষাসূত্রের দ্বারা মহাবলী অসুররাজা বলি আবদ্ধ হয়েছিলেন, সেই রক্ষাসূত্র দিয়ে তোমাকে বাঁধছি। হে রক্ষাসূত্র, তুমি তোমার স্থান থেকে বিচলিত হয়ো না, বিচলিত হয়ো না।

এটাই রাখি/রক্ষাবন্ধনের সময় ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধার ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত মন্ত্র।

ভদ্রাকাল ও বর্জনীয় সময়

  • হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী ভদ্রাকালে রাখি বাঁধা নিষিদ্ধ। এ বছর ভদ্রার প্রভাব আগেই কেটে যাওয়ায় ২৮ আগস্ট সকালেই এই বাধা নেই। তবে পূর্ণিমা তিথি ২৮ আগস্ট সকাল ৯:৪৮ মিনিটে শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই রাখি পরানো সম্পন্ন করা উচিত।